২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি| রাত ৪:১৩| শীতকাল|
শিরোনাম:
মনোহরদীতে ৭টি অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা শীতের রাতে কম্বল নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে মনোহরদীর ইউএনও নরসিংদী-৪ আসনে প্রস্তাবকারীর স্বাক্ষর জাল করায় এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ ও ফেন্সিডিল জব্দ ভৈরবে সাড়ে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই বোন আটক পাইকগাছায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশে বড়দিন উদযাপন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি ডিরেক্টর হলেন সৈয়দ জেনিথ রায়হান মনোহরদীতে অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি কাটায় পাঁচজনের কারাদণ্ড মনোহরদীতে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে ব্র্যাকের আয়োজনে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ত্রিশালের ফিসারিতে মরছে মাছ, কাজ হচ্ছে না কোনো ওষুধে

মনোহরদীতে কোটি টাকা নিয়ে উধাও কথিত এনজিও

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৪,
  • 140 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:
নরসিংদীর মনোহরদীতে ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রামীণ ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস (জিডিএস) নামে একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) গ্রাহকের প্রায় কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে।

এতে মনোহরদী ও পার্শ্ববর্তী কাপাসিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার তিন শতাধিক গ্রাহক প্রতারিত হয়েছেন। জমানো টাকা দিয়ে প্রতারিত হওয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছেন এসব গ্রাহকরা। আজ মঙ্গলবার সকালে টাকা ফেরত পেতে ওই এনজিও কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষা করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

জানা গেছে, ১০ দিন আগে মনোহরদী পৌর এলাকার হাররদিয়া মোসলেহ উদ্দিনের বাড়ীর দ্বিতীয় তলায় গ্রামীণ ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস (জিডিএস) নামে একটি এনজিও কার্যালয় খোলা হয়।

তারা শুকুন্দী, বালিয়াকান্দা, সুতালরীকান্দা, নারান্দী দিঘাকান্দী, হাররদিয়া, কাচিকাটা, বারুদিয়া, সাভারদিয়া, সনমানিয়া, খিরাটী গ্রামের পোল্ট্রি খামার, মৎস খামার, অটোরিকশা চালক ও বিদেশগামী লোকজনদের টার্গেট করে ঋণ দিবেন বলে প্রলুব্ধ করেন।

১ লাখ টাকা ঋণ নিলে গ্রাহককে ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় জমা দিতে হয়েছে। এভাবে গ্রাকরা ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা করে জমা দিয়েছেন। ঋনের আশায় গ্রামের তিন শতাধিক সহজ-সরল মানুষ এনজিওতে টাকা জমা রাখেন।

কিন্তু সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে হঠাৎ করে এনজিওর কার্যালয় বন্ধ করে উধাও হয়ে যান সেখানের লোকজন। সঙ্গে নিয়ে যান গ্রাহকের প্রায় এক কোটি টাকা। কষ্টার্জিত টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

ভুক্তভোগী শুকুন্দী বালিয়াকান্দা গ্রামের বাছেদ প্রধান বলেন, ‘আমাকে দুই লাখ টাকা ঋণ দিবে বলে ২০ হাজার অগ্রীম নেয়। এখন তারা টাকা নিয়ে পালিয়েছে। অফিসের সকলের মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখেছে। তাদের কোনো খোঁজ পাই না। আমি আমার টাকা ফেরত চাই।’

ফাইজ উদ্দিন ও মোস্তফা ফরাজী জানান, ‘২ লাখ টাকা ঋণের আশায় ২০ হাজার টাকা করে জমা দিয়েছিলাম। টাকা দেওযার দিন এসে দেখি এনজিওর লোকজন পালিয়েছে। হাওলাত (ঋণ) করে টাকা দিয়েছিলাম তাদের, এখন এ টাকা কীভাবে পরিশোধ করব।’

মনি আক্তার ও পারভীন সুলতানা বলেন, ‘দুজনে ৩০ হাজার টাকা করে দিয়েছি বিনিময়ে আমাদেরকে ৩ লাখ টাকা ঋণ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। সুদে করে এনে এই টাকা দিয়েছি, এখন আমাদের উপায় কি হবে!’

চর নারান্দী গ্রামের আলমগীর হোসেন বলেন,‘আমি শ্রমিকের কাজ করি। আমাকে ৩ লাখ টাকা ঋণ দিবে বলে রবিবার সকালে ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে। দুপুরের পর শুনতে পাই টাকা নিয়ে প্রতারকরা পালিয়েছে।’

এ বিষয়ে কথা বলতে গ্রামীণ ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেসের (জিডিএস) মাঠ কর্মী আকলিমার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি, তবে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরি অন্যান্য নিউজ