সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত একটি বিভ্রান্তিকর সংবাদ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে, মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করার পর তাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবিরে ব্যর্থ হয়ে মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বদলি করানো হয়েছে। উক্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
আমি, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, এ ধরনের মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যসমূহ সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। আমি কখনোই মাদক ব্যবসায়ীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার মতো নিকৃষ্ট কাজে জড়িত ছিলাম না এবং হবো না।
এ প্রসঙ্গে মনোহরদী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান সুহাগ বলেন, “আমিনুর রহমান সরকার দোলন কখনোই কোনো মাদক কারবারিকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য থানায় গিয়ে চাপ প্রয়োগ করেননি। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত।”
মনোহরদী-বেলাব এলাকা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আলহাজ্ব সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বকুল মহোদয়ের নির্দেশনায় মনোহরদী উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসমূহ দীর্ঘদিন ধরে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে এই অবস্থান আমাদের দলীয় নীতির অংশ এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের আপসের প্রশ্নই ওঠে না।
বরং আমরা বিশ্বাস করি, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের যেকোনো ইতিবাচক পদক্ষেপকে আমরা সর্বদা স্বাগত জানাই এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অতএব, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানানো যাচ্ছে যে, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকবেন। পাশাপাশি উক্ত প্রতিবেদনের সংশোধন ও প্রত্যাহারের জন্য জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
পরিশেষে, এ ধরনের মিথ্যা প্রচারের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা বন্ধে সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।