• সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
Headline
থানায় মীমাংসার কথা বলে ডেকে এনে যুবক কে গ্রেফতার করল পুলিশ  নান্দাইলের মুশুল্লি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন ঈশ্বরগঞ্জে একাধিক মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার নান্দাইল ইউনিয়ন বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন  ত্রিশালে ছাত্রদলের উদ্যোগে বেহাল সড়ক সংস্কার নান্দাইলে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন  পাইকগাছায় নারীদের আয়বৃদ্ধিতে হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দিনব্যাপী কর্মশালা  অনুষ্ঠিত  ধোবাউড়ায় বালুবোঝাই ট্রাকসহ বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে নদীতে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন খেলাধূলা তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত জীবনে ফিরিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম- পটিয়ায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- আমিনুল

থানায় মীমাংসার কথা বলে ডেকে এনে যুবক কে গ্রেফতার করল পুলিশ 

প্রতিনিধি :
প্রকাশকাল : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: বাবার অভিযোগের মীমাংসার কথা বলে মিজানুর রহমান (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতারের অভিযোগ উঠেছে নান্দাইল মডেল থানার এসআই মো. রাসেল মিয়া এবং এএসআই আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে। এঘটনায় যুবদল নেতা মতিউর রহমানকে ট্র্যাপে ফেলে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগও রয়েছে ৷ গতকাল শনিবার রাত ৮ টার দিকে নান্দাইল মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ বলছে তার সাবেক স্ত্রী সায়েদা আক্তারের দুই মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

জানা গেছে- উপজেলার চন্ডিপাশার ইউনিয়নের পূর্ব বাঁশহাটি গ্রামের মো. ছিদ্দিক মিয়ার পুত্র মো. মিজানুর রহমান (২৫) বিরুদ্ধে তারই পিতা ছিদ্দিক মিয়া থানায় ছেলের  বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন। বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য থানার এএসআই আসাদুজ্জামান স্থানীয় যুবদল নেতা মতিউর রহমানের মাধ্যমে থানায় ডেকে আনেন। পরে এসআই মো. রাসেল মিয়া  মিজানুর রহমান কে তার সাবেক স্ত্রী সায়েদা আক্তারের দুটি মামলায় ওয়ারেন্ট আসামি হিসেবে গ্রেফতার করে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে – সায়েদা আক্তার ২০২১ সালে স্বামী মিজানুর রহমানকে ডিভোর্স দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করে। এরপর তার স্ত্রী ২০২২ সালে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সে মামলায় ২০২৩ সালের ২রা মার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু হয় মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। কিন্তু মিজানুর রহমান বিষয়টি জানতেন না এবং পুলিশ ও কোনদিন তার বাড়িতে যায়নি। এদিকে আবারও গত দুই মাস ডির্ভোসী স্ত্রী সায়েদা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে গত মাসের ১২ মে ওয়ারেন্ট ইস্যু জারি হয়৷

যুবদল নেতা মতিউর রহমান বলেন- ছেলেটি আমার প্রতিবেশী হওয়াতে এএসআই আসাদুজ্জামান মীমাংসার কথা বলে থানায় যেতে বলে। পরে আমি ছেলে সহ থানায় গেলে তাকে গ্রেফতার করে। আমি জানতাম না তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে। মীমাংসার কথা বলে গ্রেফতার করা পুলিশের ঠিক হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই আসাদুজ্জামান বলেন-   বাবার অভিযোগ ছিল ছেলের বিরুদ্ধে। আমি তো মীমাংসার জন্য ডেকে আনছিলাম কিন্তু জানতাম না তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা