• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
নান্দাইলে গ্রাম আদালতের সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নান্দাইলে খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ নান্দাইলে গ্রাম আদালত বিষয় কমিউনিটি শেয়ারিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক বিরোধে মেয়ের ছবি দিয়ে আপত্তিকর পোস্টের অভিযোগ,থানা মায়ের জিডি নোবিপ্রবিতে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত নান্দাইলর রাজাবাড়ীয়া প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সংগঠন কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন নোবিপ্রবির ট্যুরিজম বিভাগে প্রাণবন্ত চড়ুইভাতি, মিলনমেলায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিশ্ববিদ্যালয়ে ফি জমায় পুরোনো পদ্ধতি, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীর ২ লাখ টাকা জরিমানা এখন যে গুম এবং সরকারের মদদে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয় না সেইটা গণমাধ্যমে আসা উচিত- তথ‍্য সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

থানায় মীমাংসার কথা বলে ডেকে এনে যুবক কে গ্রেফতার করল পুলিশ 

প্রতিনিধি :
প্রকাশকাল : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: বাবার অভিযোগের মীমাংসার কথা বলে মিজানুর রহমান (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতারের অভিযোগ উঠেছে নান্দাইল মডেল থানার এসআই মো. রাসেল মিয়া এবং এএসআই আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে। এঘটনায় যুবদল নেতা মতিউর রহমানকে ট্র্যাপে ফেলে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগও রয়েছে ৷ গতকাল শনিবার রাত ৮ টার দিকে নান্দাইল মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ বলছে তার সাবেক স্ত্রী সায়েদা আক্তারের দুই মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

জানা গেছে- উপজেলার চন্ডিপাশার ইউনিয়নের পূর্ব বাঁশহাটি গ্রামের মো. ছিদ্দিক মিয়ার পুত্র মো. মিজানুর রহমান (২৫) বিরুদ্ধে তারই পিতা ছিদ্দিক মিয়া থানায় ছেলের  বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন। বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য থানার এএসআই আসাদুজ্জামান স্থানীয় যুবদল নেতা মতিউর রহমানের মাধ্যমে থানায় ডেকে আনেন। পরে এসআই মো. রাসেল মিয়া  মিজানুর রহমান কে তার সাবেক স্ত্রী সায়েদা আক্তারের দুটি মামলায় ওয়ারেন্ট আসামি হিসেবে গ্রেফতার করে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে – সায়েদা আক্তার ২০২১ সালে স্বামী মিজানুর রহমানকে ডিভোর্স দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করে। এরপর তার স্ত্রী ২০২২ সালে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সে মামলায় ২০২৩ সালের ২রা মার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু হয় মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। কিন্তু মিজানুর রহমান বিষয়টি জানতেন না এবং পুলিশ ও কোনদিন তার বাড়িতে যায়নি। এদিকে আবারও গত দুই মাস ডির্ভোসী স্ত্রী সায়েদা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে গত মাসের ১২ মে ওয়ারেন্ট ইস্যু জারি হয়৷

যুবদল নেতা মতিউর রহমান বলেন- ছেলেটি আমার প্রতিবেশী হওয়াতে এএসআই আসাদুজ্জামান মীমাংসার কথা বলে থানায় যেতে বলে। পরে আমি ছেলে সহ থানায় গেলে তাকে গ্রেফতার করে। আমি জানতাম না তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে। মীমাংসার কথা বলে গ্রেফতার করা পুলিশের ঠিক হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই আসাদুজ্জামান বলেন-   বাবার অভিযোগ ছিল ছেলের বিরুদ্ধে। আমি তো মীমাংসার জন্য ডেকে আনছিলাম কিন্তু জানতাম না তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা