• মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
Headline
অফিসে নেই আবাসিক প্রকৌশলী, সকাল ১০টাতেও ফাঁকা ঈশ্বরগঞ্জ পিডিবি অফিস কথা রাখলেন ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী, প্রতিবন্ধী রাহাত পেল নতুন হুইলচেয়ার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে পাইকগাছায় ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার চিকিৎসা সহায়তায় বাকপ্রতিবন্ধীর পাশে তথ্য সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী  ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ পাইকগাছায় মৎস্যচাষিদের মাঝে মাছ চাষের উপকরণ ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ চার বছর পরও ফাতেমার পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বরগঞ্জে আ.লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিএনপি মনোহরদীতে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত থানায় মীমাংসার কথা বলে ডেকে এনে যুবক কে গ্রেফতার করল পুলিশ 

কথা রাখলেন ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী, প্রতিবন্ধী রাহাত পেল নতুন হুইলচেয়ার

প্রতিনিধি :
প্রকাশকাল : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশালে অসহায় প্রতিবন্ধী শিশু রাহাতের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী। তাঁর উদ্যোগে নতুন একটি হুইলচেয়ার পেয়ে হাসি ফিরেছে রাহাতের মা হোসনে আরা বেগমের মুখে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাহাতের হাতে একটি নতুন হুইলচেয়ার তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে গত ৭ জুলাই ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী নিজের কার্যালয়ে রাহাতের মা হোসনে আরা বেগমকে আমন্ত্রণ জানান। জন্মগতভাবে প্রতিবন্ধী দুই সন্তান—রাহাত ও নোমানকে নিয়ে তাঁর সংগ্রামী জীবনের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন তিনি। সে সময় পরিবারটিকে তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।

আলোচনার একপর্যায়ে হোসনে আরা বেগম জানান, ছেলের চলাফেরা অত্যন্ত কষ্টকর। একটি হুইলচেয়ার পেলে তার জন্য অনেক উপকার হতো। মায়ের এই আকুতি শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন ইউএনও।

মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেন তিনি। সোমবার সকালে আবারও রাহাত ও তার মাকে কার্যালয়ে ডেকে এনে শিশুটিকে স্নেহভরে আদর করেন এবং একটি নতুন হুইলচেয়ার উপহার দেন।

হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রাহাতের মা হোসনে আরা বেগম। তিনি উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই হুইলচেয়ার তাঁর সন্তানের চলাফেরা অনেক সহজ করে দেবে এবং তাঁদের দৈনন্দিন কষ্ট অনেকটাই কমবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, “এই অসহায় পরিবারটির জন্য সামান্য কিছু করতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। বিশেষ করে চলাচলে অক্ষম শিশু রাহাতের মাকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা রাখতে পেরেছি—এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সমাজের প্রতিটি সামর্থ্যবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে এমন অনেক পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, উপজেলা প্রশাসন সবসময় অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, হুইলচেয়ারের আর্থিক মূল্য হয়তো খুব বেশি নয়, কিন্তু একজন অসহায় মায়ের মুখে যে হাসি ফুটেছে, তার মূল্য কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করা যায় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা