নরসিংদীর মনোহরদীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (২২জুন) মনোহরদী উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ৮টি দলের মোট ২৪জন শিক্ষার্থী দুটি গ্রুপে অংশগ্রহণ করেন। এতে পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিযোগীরা সামাজিক আন্দোলন ও আইনের প্রয়োগের গুরুত্ব নিয়ে এবং দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে সামাজিক আন্দোলনের ওপর জোর দেন।
বিতার্কিকরা দুর্নীতির ক্ষতিকর প্রভাব, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে এর নেতিবাচক প্রভাব এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে তথ্যভিত্তিক যুক্তি ও জোরালো মতামত উপস্থাপন করেন।
শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ ও যুক্তিপূর্ণ উপস্থাপনায় প্রতিযোগিতা জমে ওঠে।
প্রতিযোগিতায় মনোহরদী শাহীন ক্যাডেট ও বৃত্তি একাডেমী (বিপক্ষ দল) প্রথম স্থান এবং কৃষ্ণপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (পক্ষ দল) দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।
শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন কৃষ্ণপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও বিপক্ষ দলনেতা সামিয়া ইসলাম মনিকা।
বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধক এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমএ মুহাইমিন আল জিহান।
মনোহরদী উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. মোস্তফা হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহা. ইসমাইল হোসাইন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফারুক আহম্মদ, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান সজিব, মনোহরদী সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য মোসাদ্দেকুর রহমান খান, সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আসাদুজ্জামান নূর প্রমুখ।
বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন মনোহরদী সরকারি কলেজের প্রভাষক খলিলুর রহমান, সরদার আছমত আলী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম, দশদোনা ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন টিটু, শুকুন্দী নাজিম উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন, বীরগাঁও দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক বাকি বিল্লাহ ও পূর্ব চালাকচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নূরে আলম মাসুম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে পরে বিজয়ী এবং রানার্সআপ দলের মধ্যে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথীরা।