• বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন
Headline
নান্দাইলে কৃষক কৃষাণীদের দিনব্যাপী GAP সার্টিফিকেট প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত  পাইকগাছায় জেলা পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও দুঃস্থদের মাঝে সহায়তা প্রদান পাইকগাছায় গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগ  নরসিংদীতে ক্রপ প্রোটেকশন এসোসিয়েশনের নতুন জেলা কমিটি গঠন মনিরুল হাসান বাপ্পীকে পাইকগাছা উপজেলা সাইবার দলের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে উপজেলা সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত ইয়ুথ ফর রিভোলিউশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের নেতৃবৃন্দের বৈঠক ১২০ টাকায় পুলিশে চাকুরী পেল ২১জন তরুণ-তরুণী সাংবাদিকদের সাথে চট্রগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

পাইকগাছায় গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগ 

প্রতিনিধি :
প্রকাশকাল : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক, গোপনে বিয়ে, পরে অস্বীকার এবং মারধরের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তানিয়া আক্তার নামে এক ভুক্তভোগী নারী।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে পাইকগাছায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তানিয়া আক্তার অভিযোগ করেন, উপজেলার ১০ নং গড়ইখালী ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সাত্তার সরদারের ছেলে মোঃ ইবাদত হোসেন (সবুজ) প্রায় দুই বছর ধরে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্নভাবে শারীরিক সম্পর্ক করে আসছিলেন। একপর্যায়ে প্রায় ছয় মাস আগে পাইকগাছায় কাজী অফিসের মাধ্যমে তথ্য গোপন করে তাকে বিয়ে করেন বলেও দাবি করেন তিনি।

তানিয়া জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত ৯ টার দিকে সবুজ তার বাড়িতে আসেন। এবং তাহারা দুজনই একই কক্ষে অবস্থানকালে তার স্বামী মোঃ ইলিয়াস হোসাইন হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় চেয়ারম্যান গাজী আব্দুস সালাম কেরু, ইউপি সদস্য আব্বাস মোল্লা, মহিলা সদস্য নাসিমা বেগমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরও বলেন, শালিসে বিয়ের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সবুজের বাবা সাত্তার সরদারের জিম্মায় তাদের বাড়িতে পাঠানো হয়। তবে সেখানে যাওয়ার পর সবুজ তাকে অস্বীকার করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলে।

এসময় চেয়ারম্যানের নির্দেশক্রমে মহিলা সদস্য নাসিমা বেগম তাকে সেখান থেকে নিয়ে আসেন এবং মেম্বারের বাড়িতে রাখেন। পরে শনিবার দুপুরে পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হলে চেয়ারম্যান তাকে জানান, পূর্বে দেখানো বিয়ের কাগজ বৈধ নয় এবং নিজ দায়িত্বে চলে যেতে বলেন।

এসময় তানিয়া আক্তার সবুজকে নিজের ভবিষ্যৎ ও সংসার ভাঙার বিষয়ে প্রশ্ন করলে, সবুজের পরিবারের কয়েকজন সদস্য সংঘবদ্ধভাবে তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তানিয়া। অভিযুক্তদের মধ্যে মুন্নী আক্তার, আব্দুর রহিম, আঃ সাত্তার, কুদ্দুস মিস্ত্রি, শাবানা ও কাসেম মিস্ত্রির নাম উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তানিয়া আক্তার দাবি করেন, বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তার সংসার ভেঙে গেছে এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে।

এ ঘটনায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

এবিষয়ে অত্র চেয়ারম্যান গাজী আব্দুস সালাম কেরু জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। তবে গ্রাম পুলিশ সবুজ ও তানিয়ার ঘটনাটি সত্য। বিষয়টি আমরা জানামাত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে ইউনিয়ন পরিষদবর্গ এ ঘটনার সঠিক তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন তৈরি করেছি। প্রতিবেদনে সবুজ ও তানিয়ার মধ্যকার ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। আমরা প্রতিবেদনটি দ্রুত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করবো জানান তিনি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা